জাপানি মেয়ে
by Unknown on Nov.22, 2009, under
আমার নাম মো: শাহীন ইসলাম (আতিক) আমি গত ২৯/০৪/২০১৩ ইং তারিখে আমি আর আমার তিন বন্দু নারায়নগন্জ যাই মার্কেটাং করতে সবাই মার্কেটে গিয়ে খুব মজা করছিলাম আমার তিন বন্দুর নাম হল: মাছুম , শরিফ ও শিশির। এখন পর্যন্ত আমরা কিছুই কিনলাম না । শুদু গুরছি আর গুরছি এমন সময় চোখ পরল রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখি ২ টি মেয়ে তারা ছিল অনেক সাদা সুন্দর দেখে মনে হচ্ছে বিদেশি । তাদের পিছনে অনেক বাংলাদেশি ছেলে লেগে আছে তারা বাংলায় অনেক কিছু বলছে কিন্তু তারা কিছুই বুঝতে পারছে না । আমার বন্দু মাছুম বলল চল তাদের সাথে কথা বলি...আমি এটু ভেবে বললাম কথা বলবি চল তাহলে তখন একটু এগিয়ে গিয়ে তাদের কে প্রস্ন করলাম কোন দেশ থেকে আসছেন সমপূর্ন ইংরেজিতে জবাবে বলল জাপান থেকে পরে বললাম কেমন আছেন সে বলল ভাল কিছুখন পরে বললাম আমি কি আপনার সাথে ছবি তোলতে পারি পরে সে একটু ভেবে বলল ঠিক আছে আমি ও তোমার ছবি তোলব আমি বললম ঠিক আছে । পরে মেয়েটি আমার পাশে এসে দাড়াল । আমার বন্দু মাছুম ছবি তোলল তারা ও আমাদের ছবি তোলল । তার নাম হল : এলিনা......!!!!!
মেয়ে পটানোর কিছু টিপসঃ
by Unknown on Nov.22, 2009, under
# আপনার কাছে কি কোন ম্যাপ আছে? আমি আপনার চোখে হারিয়ে গিয়েছি কিনা
দেকতে চাই ! #
আপনি কি খুব ক্লান্ত ? কারণ অনেকদিন ধরে আপনি আমার
হৃদয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ! # আপনার
কোন জমজ বোন আছে ? না
থাকলে আপনিই বিশ্বের সেরা সুন্দরী ! # আমার চোখে কিছু সমস্যা হয়েছে নিশ্চয়। আপনার দিক থেকে চোখ সরাতেই
পারছিনা ! #
আপনি কি "লাভ এট ফার্স্ট
সাইট" এ বিশ্বাস রাখেন, নাকি আরেকবার ঘুরে আসবো ? # আমি আমার ফোন নাম্বার হারিয়ে ফেলেছি। আপনারটা ধার করতে পারি ? # আমি "মেইড ইন (Collected)
-মোঃ শাহিন ইসলাম (আতিক)
এক মূহুর্তের দেখা মেয়েটি (১০০% সত্য)
by Unknown on Nov.22, 2009, under
গত শনিবার ৩০/০৩/২০১৩ ইং তারিখে বিকাল ৬ টায় আমি নরসিংদী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই।আমার সাথে আমার মামাত ভাই ছিল। আমরা দুই ভাই বাসস্ট্যান্ডে পৌছাতে প্রায় ৩০মিনিট লেগে গেল ।
তারপর, ওখানে একটি দোকান থেকে দুই ভাই কিছু খাওয়া দাওয়া সারলাম ।পরে টিকেট কেটে একটি বাসে বসি আমরা দুই ভাই । যথারীতি গাড়ি ছেড়ে দিল এবং গাড়িটা খুব দ্রুত চলছিল । আমরা ২ ঘন্টার জায়গায় দেড় ঘন্টায় চলে আসলাম প্রায় যাত্রাবাড়ির কাছাকাছি ।আমরা যাত্রাবাড়ি নেমে যাব কিন্ত আমরা যাত্রাবাড়ির আগে একটু জেমে পরে গেলাম ।গাড়িতে বসে আছি হটাৎ পাশের বাসে চোখ পড়ল। দেখি অন্য বাসের জানালার পাশে বসা একটি মেয়ে আমার দিকে বার বার তাকাচ্ছে। আমিও অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, মেয়েটি আমাকে কিছু বলবে। ঠিক এই সময় বাস টি ছেড়ে দিল । এদিকে আমাদের বাস এখনও জ্যাম এ আটকে আছে। মনটা খারাপ হয়ে গেল। কি করব বুঝতে পারছিলাম না। একটু পর দেখলাম জ্যাম ছাড়ল এবং আমাদের বাস আবার ঠিক সেই বাসটির পাশে এসে থামল। বাসটি দেখে ঠিকই চিনে ফেললাম যে এই বাসই সেই বাস। আর সেই জানালার দিকে তাকাতেই আবার মেয়েটির চোখ আমার চোখে পড়ে গেল। আমি হেসে ফেললাম। ব্যাপারটা আমার মামাত ভাইকে বললাম। সেও বলল চালিয়ে যেতে। আর মেয়েটিও এতই সুন্দর ছিল যে তার এক চাহনিতেই আমার টানা দেড় ঘন্টার জার্নির ক্লান্তি এক নিমিষেই উধাও হয়ে গেল। বসে বসে ভাবলাম এভাবে বসে থাকলে কিচ্ছু হবে না। তখন আমি আর মামাত ভাই সিদ্ধান্ত নিলাম বাসটিকে ফলো করব। কিন্তু চাইলেই তো আর ফলো করা যায় না। কারন আমাদের বাস তো আর ওর বাসের পিছু পিছু যাবে না। তাই দুজন মিলে ভাবতে থাকলাম কি করা যায়। তখন আমার মামাত ভাই জানাল বাসটি হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর। সুতরাং এটি যাত্রাবাড়ি পার হয়ে সায়েদাবাদ ছাড়া আর কোথাও যাবে না। তাই আমরা যদি জ্যাম ছাড়ার আগে সায়েদাবাদ পৌছাতে পারি তাহলে সেখানে মেয়েটিকে পাব। তাই আর দেরি না করে ঝটপট বাস থেকে নেমে বাসের নাম্বার প্লেটে দেখলাম ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৩৬৯।
সেখান থেকে একটু সামনে হেটে গিয়ে বলাকায় (লোকাল বাস) করে সায়েদাবাদ পৌছলাম। সেখানে পৌছে হানিফ বাস যেখানে থামে সেখানে মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। একটার পর একটা বাস অতিক্রম করতে লাগল কিন্তু সেই বাসটি আসছিল না। ৫ মিনিট, ১০ মিনিট করে ১৫ মিনিট কেটে গেল অথচ বাসের দেখা পাচ্ছিলাম না। মেজাজ টা খারাপের উপর আরও খারাপ হতে লাগল। মেয়েটির বাস ঠিক এখানেই পৌছাবে কিনা এমন একটা সন্দেহ মনের মধ্যে চেপে বসেছিল। ঠিক সেই মূহুর্তে
দেখলাম হানিফ এর সেই বাসটি এসে পৌছাল। সমস্ত রাগ, হতাশা মন থেকে চলে গেল। নিশ্চিত হবার জন্য বাসের নাম্বার পেল্ট মিলিয়ে নিলাম। সব ঠিক আছে। অধির আগ্রহে মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিন্তু নাহ, একে একে সব যাত্রি নেমে গেল কিন্তু মেয়েটি নামল না। জানালা গুলোর দিকে বার বার তাকালাম কিন্তু মেয়েটিকে পেলাম না।
হতাশ হয়ে বাসায় ফেরার জন্য পা বাড়ালাম। নিজের সাথে নিয়ে যাবার জন্য মেয়েটির সেই মায়ামাখা চেহারার স্মৃতিটুকু ছাড়া আর কিছুই বাকি রইল না.........................
মোঃ শাহীন ইসলাম(আতিক)
সেখান থেকে একটু সামনে হেটে গিয়ে বলাকায় (লোকাল বাস) করে সায়েদাবাদ পৌছলাম। সেখানে পৌছে হানিফ বাস যেখানে থামে সেখানে মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। একটার পর একটা বাস অতিক্রম করতে লাগল কিন্তু সেই বাসটি আসছিল না। ৫ মিনিট, ১০ মিনিট করে ১৫ মিনিট কেটে গেল অথচ বাসের দেখা পাচ্ছিলাম না। মেজাজ টা খারাপের উপর আরও খারাপ হতে লাগল। মেয়েটির বাস ঠিক এখানেই পৌছাবে কিনা এমন একটা সন্দেহ মনের মধ্যে চেপে বসেছিল। ঠিক সেই মূহুর্তে
দেখলাম হানিফ এর সেই বাসটি এসে পৌছাল। সমস্ত রাগ, হতাশা মন থেকে চলে গেল। নিশ্চিত হবার জন্য বাসের নাম্বার পেল্ট মিলিয়ে নিলাম। সব ঠিক আছে। অধির আগ্রহে মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিন্তু নাহ, একে একে সব যাত্রি নেমে গেল কিন্তু মেয়েটি নামল না। জানালা গুলোর দিকে বার বার তাকালাম কিন্তু মেয়েটিকে পেলাম না।
হতাশ হয়ে বাসায় ফেরার জন্য পা বাড়ালাম। নিজের সাথে নিয়ে যাবার জন্য মেয়েটির সেই মায়ামাখা চেহারার স্মৃতিটুকু ছাড়া আর কিছুই বাকি রইল না.........................
মোঃ শাহীন ইসলাম(আতিক)



_1.gif)


